নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
মাদকসহ আটক ‘মাদক সম্রাট’কে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার মুক্ত করার অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী এটি কোনো দল বা গোষ্ঠীর বাজেট নয়, দেশের সব মানুষের জন্য : অর্থমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ খাতে বরাদ্দ বেড়ে ১০,৩৫০ কোটি টাকা ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে মুসলিম দেশগুলোর অংশগ্রহণ ও ফুটবলীয় ঐতিহ্য প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ২৯১ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব খেলাপি ঋণ নিষ্পত্তিতে মামলার আগে মধ্যস্থতায় জোর, বাজেটে নতুন উদ্যোগ স্বাস্থ্যখাতে ঐতিহাসিক বরাদ্দের প্রস্তাব, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ঘাটতি বাজেটের কঠিন পরীক্ষা: প্রতিশ্রুতির বাংলাদেশ নাকি বাস্তবতার অর্থনীতি? বাজেটে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান। ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় ভ্যাট-সুবিধা আসছে বাজেটে
নাটোরে গতদুই মাসেও মেরামত হয়নি ভাঙা কালভার্টে থমকে আছে জনজীবন

নাটোরে গতদুই মাসেও মেরামত হয়নি ভাঙা কালভার্টে থমকে আছে জনজীবন

জয় আহমেদ জনি,নাটোর

নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার টুনিপাড়া মহল্লার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কালভার্ট ভেঙে পড়ে রয়েছে টানা দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও যাত্রীদের নিত্যদিনের চলাচল হয়ে উঠেছে চরম দুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুনিপাড়া মহল্লার কালভার্টটি সম্পূর্ণ ধসে নিচে পড়ে আছে। ফলে সড়কটির ওপর দিয়ে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ছোট যানবাহনগুলো কয়েকজন মিলে ঠেলে পার করা হচ্ছে, আর অনেক যান মাঝপথ থেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। দুই পাশে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে যানজট, যা দুর্ভোগকে আরও তীব্র করে তুলছে।

এই সড়কটি শুধু টুনিপাড়া নয়, আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন কাদিরাবাদ সেনানিবাস, বনপাড়া বিশ্বরোডসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীরা এই পথ ব্যবহার করেন। ফলে কালভার্টটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, “দুই মাসের বেশি সময় ধরে কালভার্টটি ভেঙে পড়ে আছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কেউ এসে দেখেনি। আমরা নিজেরাই বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো বানিয়েছিলাম, সেটিও টেকেনি। রাতে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।”

আরেক বাসিন্দা সোহাগ আলী বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল চলাচল করে। এখন আম-লিচুর মৌসুম, ফলে পণ্যবাহী যানও বেড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”

ভ্যানচালক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিদিন এই পথেই যাত্রী ও মালামাল বহন করি। এখন অনেক কষ্টে চলতে হচ্ছে। দ্রুত মেরামত করা জরুরি।”

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনো পূর্ণমাত্রায় বর্ষা শুরু না হওয়ায় কোনোভাবে চলাচল করা যাচ্ছে। কিন্তু বর্ষা নামলেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক দেবাশীষ বসাক বলেন, “আমি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

একটি কালভার্ট—শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়, এটি একটি অঞ্চলের জীবনরেখা। সেই জীবনরেখা ভেঙে পড়ে থাকলেও যদি দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি না পড়ে, তবে প্রশ্ন উঠেই যায়—জনগণের কষ্ট কি আদৌ কারো অগ্রাধিকারের তালিকায় আছে? এখনই দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই অবহেলার দায় এড়ানো কঠিন হবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com