জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭ এ আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান। বিএনপি সরকারের প্রথম প্রস্তাবিত বাজেটে ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনকে জাতির গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নতুন যাত্রার সূচনা করেছে।”
বাজেট বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিল বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’, ‘রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফা’ এবং যুগপৎ আন্দোলনের ‘৩১ দফা’। এসব কর্মসূচির ধারাবাহিকতাতেই তৈরি হয় গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক জমিন, যার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে।
সরকার জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে কার্যকর করা হবে। বাজেটের বিভিন্ন অংশে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের কথা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
Leave a Reply