জসিম দেওয়ান,ঢাকা:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের বসতঘর ভাঙচুর ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের বিচার ও পরিবারটির নিরাপত্তার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে কেয়ারিয়া এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জের কেয়ারিয়া এলাকায় আয়োজিত এক মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তায় ভূমিদস্যুরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
ভুক্তভোগী প্রকৌশলী পবিত্র চন্দ্র সরকার ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার জাহাঙ্গীর ও ইউসুফ গংয়ের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁদের বসতবাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক জজ মিয়া বলেন, “কেয়ারিয়ায় যুগ যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে আসছি। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কতিপয় ভূমিদস্যু এখন সাধারণ মানুষের জানমালের ওপর চড়াও হয়েছে।”
ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার পরপরই রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযোগের ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসেনি বা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি অবিলম্বে হামলাকারী জাহাঙ্গীর, ইউসুফসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। তাঁরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী পবিত্র চন্দ্র সরকার, স্মৃতি রানী, যুবদল নেতা নাদিম মিয়াসহ স্থানীয় সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
Leave a Reply