নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
চামড়া খাতের বিপর্যয় ও উত্তরণের পথ কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর কুরবানীর অর্থনীতিতে চাঙ্গা গ্রামবাংলা এক লাখ কোটি টাকার প্রবাহে নতুন গতি পেল দেশের স্থানীয় বাজার ​ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদুল আজহা ​— আরবের ঐতিহ্য, পাশ্চাত্য বাস্তবতা ও বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট ​ঈদ-উল-আযহার আলোয় মোহাম্মদপুর-আদাবরে অনাগত দিনের নতুন প্রতিশ্রুতি: শারিয়া মোস্তাফিজ সিমির ঈদ বার্তা! ডিএনসিসির পশুর হাটের ইজারা: নিয়ন্ত্রণে বিএনপি নেতাদের একচেটিয়া আধিপত্য ​ত্যাগের মহিমায় দেশবাসীর পাশে: ইশতিয়াক আহমেদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ​ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনোয়ার হাসান জীবন ভালুকাবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হাতেম খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালো মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব
কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর

কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর

বছরের বাকি সময় যাদের খবর খুব একটা কেউ রাখেন না, কোরবানির ঈদের দিনটিতেই তাদের কদর হয়ে ওঠে আকাশচুম্বী। তারা হলেন ‘একদিনের কসাই’ বা মৌসুমি কারিগর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিয়ে তৈরি মিমস বা মজার ভিডিওগুলো যেমন ভাইরাল হয়, তেমনি বাস্তব জীবনেও রাজধানীতে তাদের চাহিদার কোনো কমতি নেই। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার দক্ষ কারিগররা নীলফামারী থেকে বিমানে চড়েও ঢাকায় ছুটে আসছেন।
​রাজধানীর মিরপুর ও তালতলা এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া, যশোর ও নড়াইলের মতো জেলাগুলো থেকে মৌসুমি কসাইদের বড় বড় দল ঢাকায় এসেছেন। এদের মধ্যে কেউ পেশাদার কসাই, আবার কেউ স্রেফ বাড়তি আয়ের আশায় এই মৌসুমি কাজে যুক্ত হয়েছেন।
​কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা থেকে আসা মোহাম্মদ আব্দুস সামাদের ১২ জনের দলটি গত ১০ বছর ধরে ঈদের এই সময়ে ঢাকায় কাজ করছেন। সামাদ জানান, ঈদের নামাজের পর থেকেই তাদের দম ফেলার ফুসরত নেই। গরুভেদে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা কিংবা ‘হাজারে ১৫০ টাকা’ চুক্তিতে তারা কাজ করছেন। দলের চারজন মূল কারিগর সারাদিনের কঠোর পরিশ্রম শেষে ভালো আয়ের মুখ দেখছেন, যা তাদের পরিবারের জন্য বাড়তি স্বস্তি বয়ে আনছে।
​অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো ঢাকায় কাজ করতে আসা যশোরের মোহাম্মদ মজিবরের দলের অভিজ্ঞতা কিছুটা ভিন্ন। ঢাকার বাজারের দরদাম সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা না থাকায় তারা তুলনামূলক কম চুক্তিতে কাজ শুরু করলেও, এই বাড়তি আয় নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। মজিবর বলেন, “বাড়িতে অলস বসে থাকার চেয়ে কাজ করা অনেক ভালো।”
​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া নানা রসাত্মক গল্পের আড়ালে এই মৌসুমি কসাইদের কঠোর পরিশ্রম ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর লড়াইটা আসলে বেশ প্রশংসনীয়। রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের কোরবানির ঈদকে নির্বিঘ্ন ও সহজ করতে এই মানুষগুলোর ভূমিকা প্রতি বছরই অনন্য হয়ে উঠছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com