নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
চামড়া খাতের বিপর্যয় ও উত্তরণের পথ কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর কুরবানীর অর্থনীতিতে চাঙ্গা গ্রামবাংলা এক লাখ কোটি টাকার প্রবাহে নতুন গতি পেল দেশের স্থানীয় বাজার ​ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদুল আজহা ​— আরবের ঐতিহ্য, পাশ্চাত্য বাস্তবতা ও বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট ​ঈদ-উল-আযহার আলোয় মোহাম্মদপুর-আদাবরে অনাগত দিনের নতুন প্রতিশ্রুতি: শারিয়া মোস্তাফিজ সিমির ঈদ বার্তা! ডিএনসিসির পশুর হাটের ইজারা: নিয়ন্ত্রণে বিএনপি নেতাদের একচেটিয়া আধিপত্য ​ত্যাগের মহিমায় দেশবাসীর পাশে: ইশতিয়াক আহমেদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ​ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনোয়ার হাসান জীবন ভালুকাবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হাতেম খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালো মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব
ত্রাণ কর্মকর্তা দেলোয়ারের দুর্নীতির ‘আলাদিনের চেরাগ’: নারী-মদ সরবরাহ থেকে কোটি টাকার সম্পদ!

ত্রাণ কর্মকর্তা দেলোয়ারের দুর্নীতির ‘আলাদিনের চেরাগ’: নারী-মদ সরবরাহ থেকে কোটি টাকার সম্পদ!

পটুয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাদের অর্থায়নের এক ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ভোলা থেকে পটুয়াখালী—যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই দুর্নীতির ‘সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলেছেন এই কর্মকর্তা

​ অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভোলায় কর্মরত থাকাকালীন আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের পালকপুত্র বিপ্লবের সাথে দেলোয়ার হোসেনের ছিল গভীর সখ্যতা। অভিযোগ রয়েছে, বিপ্লবের প্রমোদ আসরে নিয়মিত নারী ও মদের ব্যবস্থা করা ছিল দেলোয়ারের অন্যতম দায়িত্ব। শুধু তাই নয়, ত্রাণ খাতের জিআর (GR) বরাদ্দের প্রতি টন থেকে ১০ হাজার টাকা করে কমিশন নিয়ে সেই অর্থ তিনি ব্যয় করতেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাদের পেছনে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে কয়েক দফায় কয়েক লক্ষ টাকা দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

​ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর নিজের পিঠ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন দেলোয়ার। অভিযোগ রয়েছে, ভোলার সেই বিতর্কিত অধ্যায় ধামাচাপা দিতে ছাত্র-সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে এবং মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তিনি কৌশলে পটুয়াখালীতে বদলি হয়ে আসেন।

দেলোয়ার হোসেনের দুর্নীতির ইতিহাস বেশ পুরনো। ২০২০ সালে পটুয়াখালীর গলাচিপায় পিআইও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাইফুল ইসলাম নামের এক ঠিকাদারের কাছে ৩১ লাখ টাকার কালভার্ট প্রকল্পের বিল ছাড়তে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও দুদক পর্যন্ত অভিযোগ গড়ালে শেষ পর্যন্ত বিনা ঘুষে বিল দিতে বাধ্য হন তিনি।

​ একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও ক্ষমতার অপব্যবহারে দেলোয়ার হোসেন গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। নিজের ভায়রা ভাইয়ের সাথে মিলে গড়ে তুলেছেন বিশাল পরিবহন ব্যবসা। বরিশালসহ নিজ এলাকায় জমি, বিলাসবহুল বাড়ি ও নগদ অর্থ মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

​এসব আকাশচুম্বী দুর্নীতির বিষয়ে জানতে এস. এম. দেলোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত ও সরকারি মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

​ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের অর্থায়ন এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার এমন অভিযোগে ক্ষুব্ধ সচেতন মহল। অনতিবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে এই ‘দুর্নীতির বরপুত্র’কে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে পটুয়াখালীর সাধারণ জনগণ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com