রাজধানীর পরিকল্পিত উন্নয়নের কারিগর ‘রাজউক’ এখন একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবৈধ সম্পদ গড়ার নিরাপদ কারখানায় পরিণত হয়েছে। ইমারত পরিদর্শক থেকে শুরু করে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর—চাকরির নামে যেন ‘আলাদিনের চেরাগ’ হাতে পেয়েছেন এমন প্রায় দেড় ডজন কর্মকর্তার অঢেল সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
নকশা অনুমোদন, দরপত্র নিয়ন্ত্রণ আর নোটিশের ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট ও বিলাসবহুল প্লট। স্ত্রী-সন্তানদের নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর দামী গাড়ির মালিক বনে যাওয়া এই চক্রটির শিকড় রাজউকের অলিগলিতে এতটাই গভীরে যে, ১৭ গ্রেডের সামান্য কর্মচারীও এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।
প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও বর্তমানে দুদকের জালে আটকা পড়েছেন মনিরুজ্জামান, শফিউল্লাহ বাবু, আমীর খসরু ও জাফর সাদেকের মতো ১৫ জন রাঘববোয়াল।
১৯৫৬ সালের ডিআইটি থেকে আজকের রাজউক—ঢাকার আধুনিকায়নের স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করলেও একদল দুর্নীতিবাজের পকেট ভরার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানটি।
Leave a Reply