বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত QXL সিরিজের ড্রোনগুলো এখন শুধুমাত্র গোয়েন্দা নজরদারিতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এগুলোকে বহুমুখী সমরাস্ত্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
আধুনিক যুদ্ধের কৌশল অনুযায়ী মডিফিকেশনের মাধ্যমে এই ড্রোনে ছোট আকারের মর্টার শেল সংযোজন করে সরাসরি অ্যাটাক রোলে ব্যবহার করা সম্ভব, যা শত্রু অবস্থানে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
এছাড়া তুরস্কের বিখ্যাত KARGU ড্রোনের আদলে এগুলোকে ক্যামাক্যাজি বা লয়টারিং মিউনিশন (সুইসাইড ড্রোন) হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আকাশে চক্কর কাটতে পারে এবং শনাক্ত হওয়ামাত্রই আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে ফেলে।
—যা দেশের প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
Leave a Reply