নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
চামড়া খাতের বিপর্যয় ও উত্তরণের পথ কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর কুরবানীর অর্থনীতিতে চাঙ্গা গ্রামবাংলা এক লাখ কোটি টাকার প্রবাহে নতুন গতি পেল দেশের স্থানীয় বাজার ​ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদুল আজহা ​— আরবের ঐতিহ্য, পাশ্চাত্য বাস্তবতা ও বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট ​ঈদ-উল-আযহার আলোয় মোহাম্মদপুর-আদাবরে অনাগত দিনের নতুন প্রতিশ্রুতি: শারিয়া মোস্তাফিজ সিমির ঈদ বার্তা! ডিএনসিসির পশুর হাটের ইজারা: নিয়ন্ত্রণে বিএনপি নেতাদের একচেটিয়া আধিপত্য ​ত্যাগের মহিমায় দেশবাসীর পাশে: ইশতিয়াক আহমেদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ​ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনোয়ার হাসান জীবন ভালুকাবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হাতেম খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালো মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব
গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পের মর্যাদা দেওয়ার দাবি: বেতন-ভাতা সংকটে সাংবাদিকরা

গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পের মর্যাদা দেওয়ার দাবি: বেতন-ভাতা সংকটে সাংবাদিকরা

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শিল্প’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হলেও বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। কাগজে-কলমে শিল্প হলেও পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা না পাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন এ খাতে কর্মরত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীরা।

​সাম্প্রতিক এক আলোচনায় উঠে এসেছে যে, যথাযথ শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাংবাদিকদের জীবনযাত্রায়। দেশের অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানেই এখন নিয়মিত বেতন-ভাতা না পাওয়া একটি সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

​সরকার ইতোমধ্যেই গণমাধ্যমকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে। একটি খাত যখন ‘শিল্প’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তখন সেটি ব্যাংক ঋণ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সুবিধা এবং সরকারি নানা প্রণোদনার দাবিদার হয়। তবে গণমাধ্যম মালিকদের দাবি, এই গেজেট হওয়ার পর থেকে তারা শিল্প খাতের জন্য বরাদ্দকৃত সুযোগ-সুবিধাগুলো সেভাবে পাচ্ছেন না। ফলে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যয় বাড়ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কর্মীদের বেতন-ভাতার ওপর।

​শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ায় এবং বিজ্ঞাপনের বাজার সংকুচিত হওয়ায় অনেক নামী-দামি সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেল সময়মতো বেতন দিতে পারছে না। অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাস বকেয়া থাকছে বেতন ও ঈদ বোনাস। সাংবাদিক নেতারা বলছেন, “একজন সাংবাদিক যদি নিজের পরিবার ও সন্তানদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে না পারেন, তবে তার পক্ষে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।”

​সংবাদকর্মীরা অবিলম্বে এই খাতের সংকট নিরসনে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো:

  • ​প্রকাশিত গেজেটের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যমকে সত্যিকারের শিল্পের সুবিধা প্রদান।
  • ​গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য ঘোষিত নবম ওয়েজবোর্ড ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কার্যকর প্রয়োগ।
  • ​বেতন-ভাতা বকেয়া রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

​বিশ্লেষকদের মতে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমকে যদি প্রকৃত শিল্পের মর্যাদা দিয়ে শক্তিশালী করা না হয়, তবে এই পেশার প্রতি মেধাবীদের অনাগ্রহ বাড়বে এবং দেশের সাংবাদিকতা এক গভীর সংকটে পতিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com