বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর চুয়াডাঙ্গা বীজ গোডাউন দৌলতদিয়া তে গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে এলাকার চুক্তি বদ্ধ বীজ উৎপাদন কারী কৃষক সহ তৃণমূল পর্যায়ে কৃষক দের ৩০ জন কে ট্রেইনিং এর জন্য গোডাউন সংলগ্ন অফিসে আমন্ত্রণ জানানো হয়। যেখানে বাংলাদেশ এর কৃষক দের কে গুনগত মান সম্পন্ন বীজ উৎপাদন করার কলাকৌশল ও কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করার জন্য অফিসিয়াল নির্দেশ এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয় দুই দিন ব্যাপি।
উক্ত অনুষ্ঠানে বীজ গোডাউন দৌলতদিয়া এর প্রায় সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্য জনাব রেজাউল, জনাব শামীম সহ সহকারী পরিচালক, উপ পরিচালক, বীজ প্রত্যায়ন গবেষক নামের কর্মকর্তা সহ গণ্য মান্য দূর্নীতিবাজ আমলা গন। বীজ উৎপাদন করার কলাকৌশল প্রদর্শন না করে দুই দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে একদিনে দুই দিনের স্বাক্ষর করিয়ে ১১ টায় শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ ১ টা ২৫ মিনিটে শেষ করে দেন। আমাদের সরল মনের কৃষক গণ কে প্রথম দিন এর সম্মানী ৯৯০ টাকা এবং দ্বীতিয় দিনের সম্মানী ৪০০ টাকা নির্ধারণ করে প্রথমেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। ছবি তে বসে থাকা কর্মকর্তা জানান মাঠের কাজের জন্য আপনাদের দুই দিনের স্থলে একদিনেই প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ করলেও সম্মানী প্রদান করা হবে। কিন্তু দুপুরের খাবার আয়োজন এর পূর্বে একটি হলুদ খাম এর মধ্যে প্রতিজন কৃষক কে সম্মানী বাবদ ১০০০ টাকা প্রদান করেন। যেখানে কৃষক প্রতি ৩৯০ টাকা সম্মানী কর্তন করে কর্মকর্তা রা নিজেদের পকেট ভরেছেন ১১৭০০ টাকা।
সাধারণ কৃষক যারা নিরলস পরিশ্রম করে আপনার আমার সবার ক্ষুধার অন্ন উৎপাদন করে তাদের জন্য বরাদ্দ কৃত সামান্য সম্মানী চুয়াডাঙ্গা বি এ ডি সি কর্মকর্তা নামের কলম চোর দের হাত থেকে কৃষকের হাতে পৌঁছে না। তাই এই বাংলাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া এই সব কলম চোর দূর্নীতিবাজ আমলা দের হাত থেকে কৃষকের বা সাধারণ জনগন এর টাকা নিরাপদ নয়। এদের কেন আইনের আওতায় আনা হবে না??
এমন হাজার দূর্নীতি তারা নিয়মিত করে আসছে।
Leave a Reply