নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হচ্ছে ৯৩ শতাংশ আগামী বছর থেকে হজের খরচ আরও কমানোর চেষ্টা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আদাবর থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মনোয়ার হাসান জীবনের উদ্যোগে দেশের প্রথম বৃহৎ টেপ টেনিস টুর্নামেন্ট: প্রাইজমানি ৩ লাখ টাকা! সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করল জামায়াত বিএমএসএফ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি সভা সোমবার কেরাণীগঞ্জে ইটাভাড়া-লংকারচর রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন আমান উল্লাহ আমান নরসিংদীর জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ জ্বালানি মজুদ উদ্ধার কেরানীগঞ্জের বিদ্যুৎ বিপর্যয়—অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা রুখতে চাই স্থায়ী সমাধান কলম সৈনিক শান্তনু বিশ্বাসের জন্মদিন আজ: ‘দৈনিক ভোরের হাওয়া’ পরিবারের অভিনন্দন সাভারে পাওনা সম্মানী চাওয়ায় ব্যক্তিকে হয়রানি: এসপি ও থানায় অভিযোগ
​”ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার আর চলবে না”— শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন

​”ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার আর চলবে না”— শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন

কোচিং নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে সব কিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে কিন্তু আপনি ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন- এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে-আস্তে হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আপনাদের চিহ্নিত করতে হবে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল রয়েছে। সেভাবে শিক্ষকদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় আরো উপস্থিত আছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকতারা, সব কেন্দ্র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
কোচিং নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে সব কিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে কিন্তু আপনি ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন- এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে-আস্তে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা অনেক কাজ করেছি কিন্তু স্বপ্ন একটি, তারেক রহমানের আগামীর বাংলাদেশ গড়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো না। এখানে যারা কাজ করছেন তারা সবাই সদকায়ে জারিয়া পাবেন।
ড. মিলন আরো বলেন, ১৯৭২ থেকে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে নকলে সহায়তা করেছিলেন শিক্ষকরা। আবার ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলাম। পরে আমরা সরে গেলাম আবার সেই একই অবস্থা। তার মানে যেভাবে সরকার চায় আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। এবার আমরা এসেছি আমরা নকল চাই না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com