নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
​মাদক কারবারিদের সাথে সখ্যতা: সাভার মডেল থানার অপারেশন পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ‘ক্লোজড’ ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদন চালুর নির্দেশ সব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে ১০ অগ্রাধিকার কৃষকের প্রাপ্য বাজেটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দিগন্ত, সীমান্ত, মীরবাড়ী ও মানহানি: জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে এক প্রতিমন্ত্রী মোটা অংকের মাসোহারার বিনিময়ে গুলশানের অন্ধকার জগত নিয়ন্ত্রণ করছে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন মিজানুর রহমান এবং ফাঁড়ি ইনচার্জ সালমান ফারশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদের আইকন: মাহমুদুর রহমান চিলমারী নদীবন্দর প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
চিলমারী নদীবন্দর প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে

চিলমারী নদীবন্দর প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) চিলমারী নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ, ভূমি অধিগ্রহণ, সাইট ডেভেলপমেন্ট, পাইলিং এবং নির্মাণকাজে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রকল্পের ব্যয় প্রথমে প্রায় ২৩৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুযায়ী তা বেড়ে প্রায় ৩৩৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকায় উন্নীত হয়।
সূত্রগুলো অভিযোগ করেছে, তৎকালীন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি, কিছু ঠিকাদার ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিয়ে কাজ বরাদ্দ এবং বিল উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সাইট ডেভেলপমেন্টের নামে প্রয়োজনীয় বালু ভরাট ছাড়াই ভুয়া বিল তৈরি করে কয়েক কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশা ও প্রকৌশল মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেছেন, প্রকল্প এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার দাবি করে অভিযোগকারীরা বলেন, কার্যাদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অন্য প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অর্থ স্থানান্তর এবং পেমেন্ট সার্টিফিকেট ইস্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
পাইলিং কাজেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কার্যাদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যাস, গভীরতা ও রড ব্যবহারের পরিবর্তে কম উপকরণ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে নির্মিত অবকাঠামোর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিআইডাব্লিউটিএর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেন, প্রকল্পের টেন্ডার ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতি ছিল। তাদের ভাষ্য, সে সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাইরে অন্য কারও মতামত দেওয়ার সুযোগ ছিল না।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ মোল্লার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বার্তা পাঠানো হলে তিনি একটি ঠিকাদারি লাইসেন্সের কপি পাঠান বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত কোনো লিখিত বা মৌখিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রকল্পে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com